All posts by TipsAmki

kiranmala 18th september 2016 3gp episode

Kiranmala or kironmala 18th september 2016 full episode 3gp (18/09/2016 star jalsa)Kiranmala or kironmala 18th september 2016 full episode 3gp (18/09/2016 star jalsa)
Download Now

Advertisements

শিখে নিন আন্তর্জাতিক গণনা পদ্ধতি, পরিমাপ ও একক

আন্তর্জাতিক গণনা পদ্ধতি, পরিমাপ ও
একক
প্রশ্নঃ ১ কোটিতে কত মিলিয়ন হয়?
ক. ১০
খ. ২০
গ. ৫০
ঘ. কোনটিই না
উত্তরঃ ক
প্রশ্নঃ ৯ কোটি কত?
ক. এক মিলিয়ন
খ. ৯০ মিলিয়ন
গ. ৯ বিলিয়ন
ঘ. ৯০০ মিলিয়ন
উত্তরঃ খ
প্রশ্নঃ ১০ মিলিয়নে কত কোটি?
ক. ১০০ কোটি
খ. ১ কোটি
গ. ১০ কোটি
ঘ. ০.১ কোটি
উত্তরঃ খ
প্রশ্নঃ ১৫ মিলিয়ন = কত?
ক. ১৫০০০০০০০
খ. ১৫০০০০০০
গ. ১৫০০০০০
ঘ. ১৫০০০০
উত্তরঃ খ
প্রশ্নঃ ৫০ মিলিয়নে কত কোটি?
ক. ৫০০ কোটি
খ. ৫ কোটি
গ. ৫০ কোটি
ঘ. ২০ কোটি
উত্তরঃ খ
প্রশ্নঃ ১০০০ মিলিয়নে কত টাকা হয়?
ক. ১০০ কোটি
খ. ১০ কোটি
গ. ১০ লক্ষ
ঘ. ১০০ লক্ষ
উত্তরঃ ক
প্রশ্নঃ One million two thousand and two is
written as–
ক. 102002
খ. 1002002
গ. 100202
ঘ. None of these
উত্তরঃ খ
প্রশ্নঃ ১ বিলিয়ন হচ্ছে–
ক. এক কোটি
খ. দশ কোটি
গ. একশ কোটি
ঘ. এক হাজার কোটি
উত্তরঃ গ
প্রশ্নঃ ব্রিটিশ ১ বিলিয়ন আমেরিকান

বিলিয়নের কত গুণ?
ক. ১০০০
খ. ১০০
গ. ১০
ঘ. একই সমান
উত্তরঃ ক
প্রশ্নঃ ১ ট্রিলিয়ন সমান-
ক. একলক্ষ কোটি
খ. দশলক্ষ কোটি
গ. একশত কোটি
ঘ. এক হাজার কোটি
উত্তরঃ ক
প্রশ্নঃ বিবিয়ানা গ্যাস ফিল্ডে ১০
ট্রিলিয়ন ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাস মজুদ
আছে।
প্রতিবছর ১ লক্ষ মিলিয়ন ঘনফুট হারে
উত্তোলন করা হলে কত বছরে এই ফিল্ড
নিঃশেষ হবে?
ক. ১০
খ. ৫০
গ. ১০০
ঘ. ১০০০
উত্তরঃ গ
প্রশ্নঃপ্রতি ব্যাক্তির রোজ ১০০০০ টি
চাউল
প্রয়োজন হলে ৫x১০২০ টি চাউলের স্টক
দ্বারা পৃথিবীর ৫০০ কোটি লোককে
কতদিন
খাওয়ানো যাবে?
ক. ১০০ দিন
খ. এক লক্ষ দিন
গ. এক কোটি দিন
ঘ. ৫০০ কোটি দিন
উত্তরঃ গ
প্রশ্নঃ আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতি চালু হয়
কত
সালে?
ক. ১৯৭০ সালে
খ. ১৯৫৮ সালে
গ. ১৯৬০ সালে
ঘ. ১৯৬৩ সালে
উত্তরঃ গ
প্রশ্নঃ C.G.S পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যরে একক/
ক. ডেকামিটার
খ. মিটার
গ. ডেসিমিটার
ঘ. সেন্টিমিটার
উত্তরঃ ঘ
প্রশ্নঃ C.G.S পদ্ধতিতে ভরের একক—/
ক. পাউন্ড
খ. গ্রাম
গ. কিলোগ্রাম
ঘ. আউন্স
উত্তরঃ খ
প্রশ্নঃ মেট্রিক পদ্ধতিতে ভরের একক
বা পদার্থের ভর পরিমাপের
আন্তর্জাতিক একক-
ক. পাউন্ড
খ. গ্রাম
গ. কিলোগ্রাম
ঘ. মিলিগ্রাম
উত্তরঃ গ
প্রশ্নঃ এক মিটার সমান কত ইঞ্চি?/How
many inches make 1 meter?
ক. ৩৭.৩৯ ইঞ্চি
খ. ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
গ. ৩৯.৪৭ ইঞ্চি
ঘ. ৩৮.৫৫ ইঞ্চি
উত্তরঃ খ
প্রশ্নঃ One mile is equivalent tohow many
kilometers?/১ মাইলে কত কিলোমিটার?
ক. 1 kilometer
খ. 1.6 kilometers
গ. 1.8 kilometers
ঘ. 2 kilometers
উত্তরঃ খ
প্রশ্নঃ এক কিলোমিটার কত মাইলের
সমান?/
One kilometer is equivalent to how many miles?
ক. ৫/৮
খ. ১/২
গ. ৫/৪
ঘ. ৩/৪
উত্তরঃ ক
প্রশ্নঃ এক সেন্টিমিটার সমান ০.৩৯৩৭
হলে এক কিলোমিটার সমান কত?
ক. ৩৯৩৭০ ইঞ্চি
খ. ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
গ. ৩৯৩৭ ইঞ্চি
ঘ. ৩০.০৩৯৩৭ ইঞ্চি
উত্তরঃ ক
===================

[Health] শীতেও সক্রিয় থাকুন siteo suchtho thakun

[Health] শীতেও সক্রিয় থাকুন siteo suchtho thakun
সেই সকালবেলা হালকা কুয়াশা, ঘাসের সঙ্গে শিশির বিন্দু আর একটু পরে আলতো রোদের লুকোচুরি খেলা। বাইরের দিকে তাকালে মন উদাস হবে।
শীতের দিন তো। কিন্তু লেপের ওম ছেড়ে আড়মোড়া ভেঙে উঠতে চায় না শরীর, আর মনও তো চায় একটু শুয়ে থাকি।
কিন্তু শীতের সকাল তো বেরিয়ে পড়ার। আর বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে পরিকল্পনা যদি করা যায়, তাহলে অবশ্য শীত এলে বনভোজন, আড্ডা আর অবশ্যই বেড়ানো।
অবশ্য অনেকেই ভালোবাসেন গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে এসে পড়া সূর্যের লুকোচুরি খেলা, পাখির কুজন, আবার কেউ ভালোবাসেন লাউয়াছড়ার অরণ্যের রহস্য। আর ফিটনেস গন্তব্য কেবল হবে আশপাশের কোথাও।
সকালে রমনা পার্কে, নয়তো ধানমন্ডি লেকের পাড়ে, নয়তো চট্টগ্রামের ডিসি হিলে হাঁটা। দল বেঁধে হাঁটা। স্লিম আর ফিট হওয়ার এমন সুযোগ আসে শীতের বেলা। বাইসাইকেল চালানোও ভালো ব্যায়াম। আর শীতের দিনে অনেক সময় মন কেমন করা ভাব আসে, একে তাড়াতে ব্যায়ামের বিকল্প তো নেই। মন ভালো করে দেয়। কেন জানেন তো? দিন ছোট হয়ে আসে, আঁধার নামে আগে, অনেক সময় কুয়াশা-ধোঁয়াশা পরিবেশে মন খারাপ হয় অনেকের।
হাঁটলে যে কেবল শরীরের চর্চাই হয় তা নয়, বাইরের আলো, বিশেষ করে সূর্যের আলো শরীরে সেরোটনিন নামে হরমোন নিঃসরণ উদ্দীপিত করে, আর এ জন্য মন ভালো হয়ে যায়।
আবার মেলাটনিন নামে হরমোন নিঃসরণ বাড়ে আঁধার পরিবেশে আর এতে নিদ্রা আসে। সেরোটনিন মেলাটনিনের প্রভাবে শীতে হয় এমন বিষণ্নতা।
কিছু উপায় তো আছেই। শ্রেষ্ঠ উপায় হলো শীতে বেশি করে সক্রিয় থাকা, সচল থাকা। তাই ঘর থেকে বাইরে দুই পা ফেলে শুরু হোক হাঁটা। হৃদ্যন্ত্রের ব্যায়াম হবে। তাজা বাতাস বুকভরে নেওয়া যাবে। মেজাজও হবে চনমনে। সকালে হাঁটা হয় না। সমস্যা নেই, বিকেলেও হাঁটা যায়।
শীতের সকালে শরীর জড়ানো আলস্য কাটিয়ে উঠে যেমন হেঁটে একটু গা ঘামাবেন, তেমনি বিকেলেও তা সম্ভব। তবে সে জন্য মুখরোচক খাবার খেয়ে ওজন বাড়ানো যাবে না। খেতে হবে প্রচুর শাকসবজি, ফল, আঁশে ভরপুর খাবার। শেষে অবশ্য দই। এতে আছে প্রোবায়োটিক স্বাস্থ্যকর সব জীবাণু, যা পেটের সমস্যা যেমন কমায়, তেমনি ডায়রিয়া ও পেট ফাঁপার মতো সমস্যা হতে দেয় না।
শীতকালটা সবার জন্য পৌষ মাস নয়। মৌসুম পরিবর্তনে সর্দিকাশি তো আছে, হাঁপানি, হাঁটুব্যথা বেশ ভোগাতে পারে। আর এসবের সমাধান হলো ব্যায়াম।
প্রচুর পানি পান করতে হবে। শরীরে পানিশূন্যতা হলে ভাইরাল সংক্রমণের শঙ্কা বাড়ে। আর দুর্ভাগ্যবশত শীতে আমাদের পিপাসা লাগে কম। তাই পানি পান করা চাই যথাযথ, প্রয়োজনমতো।
শীতে একটু ভারী ব্যায়ামও চলে। ব্যায়াম নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষাও সম্ভব। যোগাসন, তাইচি, পাহাড় পথে সাইক্লিংও আছে। আর চাই মেডিটেশন। শরীর সচল-সক্রিয় রাখার প্রেষণা। ঠিকঠাক ওয়ার্কআউট প্ল্যানও ডায়েট।
শীতে শুকিয়ে যায় ত্বক। প্রতিদিন স্নানের পর ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। প্রতিরাতে ঘুম, ভালো ঘুম। গলা খুসখুস, কাশি অনেক কম হবে। একটু সময় রাখতে হবে শিথিল হওয়ার জন্য। চাপ থেকে হয় নানা জটিলতা।
এভাবে শীতকে আলিঙ্গন করুন আনন্দে, স্বস্তিতে। শীত হলো খুব বেড়ানোর ঋতু, সুন্দর এই পৃথিবীকে ঘুরে ফিরে দেখার ঋতু। বানিয়ে ফেলুন একটি ট্রিপ প্ল্যান। চটজলদি। ভালো থাকুন এই শীতে।

পথহারা কবিতা কাজী নজরুলের লেখা পড়ে দেখুন ভালো লাগবে

বেলা শেষে উদাস পথিক ভাবে,
সে যেন কোন অনেক দূরে যাবে –
উদাস পথিক ভাবে।
‘ঘরে এস’ সন্ধ্যা সবায় ডাকে,
‘নয় তোরে নয়’ বলে একা তাকে;
পথের পথিক পথেই বসে থাকে,
জানে না সে কে তাহারে চাবে।
উদাস পথিক ভাবে।
বনের ছায়া গভীর ভালোবেসে
আঁধার মাথায় দিগবধূদের কেশে,
ডাকতে বুঝি শ্যামল মেঘের দেশে
শৈলমূলে শৈলবালা নাবে –
উদাস পথিক ভাবে।
বাতি আনি রাতি আনার প্রীতি,
বধূর বুকে গোপন সুখের ভীতি,
বিজন ঘরে এখন সে গায় গীতি,
একলা থাকার গানখানি সে গাবে –
উদাস পথিক ভাবে।
হঠাৎ তাহার পথের রেখা হারায়
গহন বাঁধায় আঁধার-বাঁধা কারায়,
পথ-চাওয়া তার কাঁদে তারায় তারায়
আর কি পূবের পথের দেখা পাবে
উদাস পথিক ভাবে।

দ্রুতশিল করুন আপনার কম্পিউটারকে

কাজ শুরু করুন।
GO “ RUN “ – tree লিখে এন্টার করুন।
GO “ RUN “ – prefetch লিখে এন্টার করুন।( একটা নতুন উইন্ডো আসবে সব ফোল্ডার এবং ফাইল ডিলিট করুন।
GO “ RUN “ – temp লিখে এন্টার করুন। এখন টেম্পোরারী ফাইল গুলো ডিলিট করুন।
GO “ RUN “ – %temp% লিখে এন্টার করুন। এখন টেম্পোরারী ফাইল গুলো ডিলিট করুন।
প্রতিটা ড্রাইভের উপর মাউসের রাইট বাটুন ক্লিক করুন তারপুর প্রপারট্রিজ এ ক্লিক করুন ডিস্ক ক্লিনআপ এ ক্লিক করুন। আশা করি আপনার কম্পিটার এ অনেক গতি বেড়ে যাবে। পুরাতন কম্পিউটার এর জন্য বেশী কার্যকরী।